জ্বালানি উন্নয়নে একযোগে কাজ করছে বাংলাদেশ-চীন

জাতীয়

বাংলাদেশের জন্য এখনই নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা সৌরশক্তি উন্নয়নের উপযুক্ত সময় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও

2026-08-27T13:44:14+06:00
2026-08-27T13:44:14+06:00
বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩

জ্বালানি উন্নয়নে একযোগে কাজ করছে বাংলাদেশ-চীন
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪৪ পিএম   (ভিজিট : ০)
বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন/ছবি

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন/ছবি

বাংলাদেশের জন্য এখনই নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা সৌরশক্তি উন্নয়নের উপযুক্ত সময় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান ও প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন চীনের রাষ্ট্রদূত।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে ব্যাপক জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি। এ পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও সৌরশক্তি নিয়ে চীন কাজ করছে। মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকেও এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান ইয়াও ওয়েন।

তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের জন্য এখনই নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা সৌরশক্তি উন্নয়নের উপযুক্ত সময়। এর মাধ্যমে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব।

ইয়াও ওয়েন বলেন, জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতার অনেক সুযোগ রয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতেও চীনের সক্ষমতা কাজে লাগানো যেতে পারে। বৈঠকে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়েও কথা বলেন ইয়াও ওয়েন।

তিনি বলেন, চীন ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ক্ষেত্রে বর্তমানে একটি ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক চীন সফরের পর দুই দেশের সম্পর্ক নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।

তিনি বলেন, দুই দেশ যৌথ ইশতেহারের মাধ্যমে নতুন যুগে অভিন্ন ভবিষ্যৎ নিয়ে চীন-বাংলাদেশ কমিউনিটি গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আওতায় অর্থনৈতিকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

রাষ্ট্রদূত জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর গত দুই মাসে চট্টগ্রামে চীন-বাংলাদেশ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্মাণকাজের উদ্বোধন হয়েছে। পাশাপাশি মোংলা বন্দর প্রকল্পেও কাজ এগিয়ে চলছে। তিস্তা নদী প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা নিয়েও বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করছে চীন।

এছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক হল নির্মাণ এবং এক হাজার শয্যার হাসপাতাল প্রকল্পও এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে চীন অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি শিক্ষা ও জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান তিনি।


ডেল্টা টাইমস/সিআর/এমই








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ