রিজভীকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করায় জাবিতে ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল

জাবি প্রতিনিধি:

রাজনীতি

বিএনপি সরকারের ছয় মাস পূর্তি, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি এবং অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত

2026-08-22T17:31:33+06:00
2026-08-22T17:31:33+06:00
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

রিজভীকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করায় জাবিতে ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল
জাবি প্রতিনিধি:
প্রকাশ: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩১ পিএম   (ভিজিট : ০)
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

বিএনপি সরকারের ছয় মাস পূর্তি, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি এবং অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মনোনীত করায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের উদ্যোগে শুভেচ্ছা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান অডিটোরিয়ামের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়। এতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক হলের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন হাবীব হিরণ বলেন, বিএনপি সরকার গঠনের পর ইতোমধ্যে ছয় মাস অতিক্রান্ত হয়েছে। এ সময়ে দেশের জনগণের মধ্যে স্বস্তি, আশা ও উৎসাহের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বিএনপির নেতাকর্মীদের অবদানেরও মূল্যায়ন শুরু হয়েছে।

রুহুল কবির রিজভী আহমেদকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, “রিজভী আহমেদ তৃণমূল থেকে উঠে আসা একজন পরীক্ষিত নেতা। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ছাত্রদলের সভাপতি, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এবং বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পর তাঁর এ পদে আসীন হওয়া দলের নেতাকর্মীদের জন্য আনন্দ ও অনুপ্রেরণার বিষয়।”

তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে যারা হামলা-মামলা, জেল-জুলুম ও নির্যাতন সহ্য করে দলের জন্য কাজ করেছেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন হওয়া প্রয়োজন। আমরা আশা করি, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়নের এই ধারা অব্যাহত থাকবে।”

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন প্রসঙ্গে হুমায়ুন হাবীব হিরণ বলেন, “আগামী কমিটিতে অতীতে পরীক্ষিত, ত্যাগী ও নির্যাতনের শিকার নেতাকর্মীদের অবশ্যই মূল্যায়ন করা উচিত। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যোগ্য ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাদের অন্তর্ভুক্ত করে একটি বৈচিত্র্যময় ও গ্রহণযোগ্য কমিটি গঠন করা প্রয়োজন।”

তিনি বলেন, “আমরা প্রত্যাশা করি, দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে এমন একটি কেন্দ্রীয় ছাত্রদল কমিটি গঠন করা হবে, যা সারাদেশের ছাত্রদলের প্রতিনিধিত্ব করবে।”


ডেল্টা টাইমস/সামিয়া তাসনীম স্বাতী/সিআর










  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ