প্রকাশ: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১৬ পিএম (ভিজিট : ১০)

বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হলে দলটির পরবর্তী মহাসচিব কে হবেন? এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় সূত্র ও নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ পদের দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
দলীয় নেতাদের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং দলের দুঃসময়ে সক্রিয় ভূমিকার কারণে মহাসচিব পদে রিজভীর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। বিশেষ করে গত ১৭ বছরের রাজনৈতিক সংকট ও আন্দোলনে তিনি দলের মুখপাত্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
বিএনপির একাধিক নেতা জানান, রিজভী দীর্ঘদিন ধরে ফুলটাইম দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয়। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে থেকে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলন, দলীয় কর্মসূচি পরিচালনা এবং সারাদেশের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখায় সংগঠনের ভেতরে তার শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছে।
২০১৬ সালে বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব নির্বাচিত হন রিজভী। এর আগে ছাত্রদলের রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৯ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে ভিপি নির্বাচিত হন তিনি। পরবর্তীতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
এরশাদবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে বিএনপির পরবর্তী আন্দোলন-সংগ্রামে একাধিকবার গ্রেপ্তার ও কারাবরণ করেছেন রিজভী। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে আড়াই শতাধিক মামলা হয় বলে দলীয় সূত্রের দাবি। দলের দুঃসময়ে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দীর্ঘদিন অবস্থান করে সাংগঠনিক কার্যক্রম সচল রাখার কারণেও তিনি দলের তৃণমূলে পরিচিত মুখ।
বিএনপির একজন যুগ্মমহাসচিব বলেন, ‘রিজভী দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য কাজ করছেন এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। সাংগঠনিক বাস্তবতা সম্পর্কে তার ভালো ধারণা আছে।’
তবে মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে রিজভীই মহাসচিব হবেন, এমন কোনো সিদ্ধান্ত এখনো বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। দলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং দলের নীতিনির্ধারণী ফোরাম।
ডেল্টা টাইমস/ আরএফ