মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে ফাঁসলেন কেবিন ক্রু শিমু

ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:

আইন-আদালত

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেওয়ায় ফাঁসলেন বিমান বাংলাদেশ

2026-07-15T18:08:53+06:00
2026-07-15T18:08:53+06:00
বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৩২ আষাঢ় ১৪৩৩

মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে ফাঁসলেন কেবিন ক্রু শিমু
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
প্রকাশ: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬, ৬:০৮ পিএম   (ভিজিট : ৮)

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে মামলা দায়ের ও আদালতে মিথ্যা হলফনামা দেওয়ায় ফাঁসলেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কেবিন ক্রু খাদিজা সুলতানা শিমু। তার বিরুদ্ধে উল্টো মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন।

আদেশে আদালত বলেছেন, শিমু ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে আদালতে মিথ্যা মামলা করেন এবং হলফ করে মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামলার নথিতে তার দেওয়া হলফনামাও সংযুক্ত রয়েছে।

এসব বিবেচনায় আদালত নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করার নির্দেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি মো. সায়েম উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

অভিযোগে বলা হয়, খাদিজা সুলতানা শিমু বাদী হয়ে বেসরকারি একটি এয়ারলাইনসের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে আদালতে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা করেন। পরে অভিযোগটি উত্তরা পশ্চিম থানাকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

তদন্ত শেষে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি মর্মে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখ করা ফেসবুক লিংক, ডিজিটাল আলামত ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি প্রচারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ওমর ফারুক আগে শিমুর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আদালতে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার দায় এড়াতেই শিমু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত বিভিন্ন লিংক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি ছড়ানোর অভিযোগ এনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলা করেছেন। এ কারণে শিমুর বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ১৩ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদনও করা হয়।
গেল ৯ জুলাই আদালত তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে ওমর ফারুককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়।








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ