প্রকাশ: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৮ পিএম (ভিজিট : ১৬৬)

সংগৃহীত ছবি
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে তীব্র জনবল সংকট বিরাজ করছে। চিকিৎসক, নার্স, অফিস সহকারী ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর ঘাটতির কারণে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন রোগীরা।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণির চিকিৎসকের অনুমোদিত পদ ৪০টি। এর মধ্যে বর্তমানে কর্মরত আছেন ১৩ জন। ফলে ২৭টি পদ শূন্য রয়েছে। দ্বিতীয় শ্রেণির নার্স ও মিডওয়াইফের ৩৪টি পদের মধ্যে ৩২ জন কর্মরত থাকলেও ২টি পদ ফাঁকা। তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীর ৭২টি পদের মধ্যে ৪৪ জন কর্মরত, ২৮টি পদ শূন্য। চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর ৩৪টি পদের মধ্যে মাত্র ১২ জন কর্মরত, ২২টি পদ শূন্য রয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, স্বাস্থ্য পরিদর্শক, এমটিইপিআই, পরিসংখ্যানবিদসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। স্বাস্থ্য সহকারী ২০টি পদের মধ্যে ১৪টি পূরণ হলেও ৬টি পদ ফাঁকা রয়েছে। সহকারী স্বাস্থ্যকর্মীর ৪টি পদই শূন্য। স্টোর কিপার ও ক্যাশিয়ারের একটি করে পদও শূন্য।
এছাড়া অফিস সহকারীর ৩টি পদের মধ্যে ১টি পূর্ণ, ২টি শূন্য। ওয়ার্ডবয়ের ৬টি পদের মধ্যে ৫টি ফাঁকা। নাইটগার্ডের ৩টি পদের মধ্যে ১ জন কর্মরত থাকলেও ২টি পদ শূন্য। আয়ার ৩টি পদের মধ্যে ২ জন কর্মরত, ১টি পদ শূন্য রয়েছে।
আটোয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. হুমায়ুন কবির বলেন, আগে এখানে ৭ জন চিকিৎসক ছিলেন। বর্তমান সিভিল সার্জন দায়িত্ব নেওয়ার পর তা বেড়ে ১৩ জন হয়েছে। এটি একটি অগ্রগতি। ভবিষ্যতে আরও চিকিৎসক পদায়নের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন ডা. মো. মিজানুর রহমান বলেন, আটোয়ারীতে আগে ৭ জন চিকিৎসক ছিলেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর আরও ৬ জন যোগ হয়েছেন। বর্তমানে ১৩ জন চিকিৎসক কর্মরত আছেন। ভবিষ্যতে আরও চিকিৎসক পদায়নের আশা করছি।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, চিকিৎসক সংখ্যা কিছুটা বাড়লেও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে ঘাটতির কারণে হাসপাতালের সার্বিক সেবা এখনও স্বাভাবিক হয়নি। ফলে রোগীদের ভোগান্তি অব্যাহত রয়েছে।
ডেল্টা টাইমস্/মিজানুর রহমান/সিআর/আইইউ