প্রকাশ: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৪ এএম (ভিজিট : ১৪)

নিপুণ রায় দম্পতির আছে ৬০২ ভরি গয়না, কোটি টাকার আমানত
সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাওয়ার পরই দাখিল করা হলফনামায় উঠে এসেছে ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরীর বিপুল সম্পদের বিবরণ। সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী তিনি।
নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, নিপুণ রায়ের ব্যক্তিগত মালিকানায় রয়েছে ৫০২ ভরি সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর গয়না। এছাড়া তার স্বামী অমিতাভ রায়ের নামে রয়েছে আরও ১০০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার। সব মিলিয়ে এই দম্পতির কাছে মোট ৬০২ ভরি সোনা রয়েছে, যা উল্লেখযোগ্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। হলফনামায় এসব গয়না উপহার হিসেবে প্রাপ্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে অর্জনকালীন মূল্য অজানা রাখা হয়েছে।
আয়ের উৎস হিসেবে নিপুণ রায় তার পেশাগত কাজকে প্রধান হিসেবে দেখিয়েছেন। পেশায় আইনজীবী এই রাজনীতিক বছরে প্রায় ২৬ লাখ টাকা আয় করেন। পাশাপাশি শেয়ার ও ব্যাংক আমানত থেকে তার আরও প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা আয় হয়। তার নামে ১ কোটি ১৩ লাখ ২১ হাজার টাকার স্থায়ী আমানত রয়েছে।
অস্থাবর সম্পদের মধ্যে তার নামে থাকা দুটি গাড়ির ক্রয়মূল্য ১ কোটি ১১ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে তার নিজের অস্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্য প্রায় ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, তার স্বামী অমিতাভ রায়ের নামে অস্থাবর সম্পদের মূল্য সাড়ে তিন কোটি টাকারও বেশি।
স্থাবর সম্পদের মধ্যে নিপুণ রায় ৮৫ লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়ে কেনা একটি ফ্ল্যাটের তথ্য দিয়েছেন, যদিও হলফনামায় এর সুনির্দিষ্ট অবস্থান উল্লেখ করা হয়নি।
ঋণের তথ্যেও দেখা যায়, নিপুণ রায়ের নামে ১ কোটি ১৯ লাখ টাকার ব্যাংকঋণ ও অন্যান্য দায় রয়েছে। নগদ অর্থ হিসেবে স্বামী-স্ত্রী মিলিয়ে তাদের কাছে মোট ৭৬ লাখ টাকা রয়েছে, যার মধ্যে ১৩ লাখ ২৯ হাজার টাকা নিপুণ রায়ের নিজের নামে।
রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে নিপুণ রায় সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর কন্যা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পুত্রবধূ।
ডেল্টা টাইমস/সিআর/এমই