প্রকাশ: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৯ পিএম (ভিজিট : ৭)

ফাইল ছবি
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম আরও সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে ‘রিপ্রেজেন্টেশন অব দি পিপল (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ২৭, ৩৭, ৩৯, ৮৯ ও ৯১ অনুচ্ছেদ সংশোধনের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশটি আইন আকারে পাস করার লক্ষ্যে সংসদে উত্থাপন করেন।
এছাড়া আরপিওতে পোস্টাল ব্যালট পেপারের বিষয়টি স্পষ্টকরণ, নিরাপত্তা জোরদারকরণে প্রয়োজনীয় সংশোধন করার জন্য বিগত সরকার এ অধ্যাদেশটি জারি করেছিল। যা আজ আইনে পরিণত হলো।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।
বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, নির্বাচন সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার্থে ‘রিপ্রেজেন্টেশন অব দি পিপল অর্ডার ১৯৭২’ সংশোধন করে এর আগে ২০২৫ সালে দুটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রথম অধিবেশনে অধ্যাদেশ দুটি উপস্থাপন করা হয়।
মন্ত্রী আরও জানান, সংবিধান অনুযায়ী প্রথম বৈঠকের ৩০ দিনের মধ্যে অধ্যাদেশ দুটি বিল আকারে সংসদে পাস করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই ধারাবাহিকতা রক্ষার্থেই আজ বিলটি পাসের প্রস্তাব করা হলো। এটি আইনে পরিণত হওয়ার ফলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম আরও সুচারুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
বিলের আলোচনার শুরুতে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান বিলের ৪৯ নম্বর পৃষ্ঠার ৮(বি) উপধারার একটি শব্দের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, এখানে শেষ শব্দটি কি ‘সিট’ হবে নাকি ‘কনস্টিটিউন্সি’ হবে? জবাবে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ও আইনমন্ত্রী বিষয়টি পর্যালোচনার আশ্বাস দেন।
পরে স্পিকারের অনুমতি নিয়ে আইনমন্ত্রী বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে কণ্ঠভোটে তা সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়। বিলটি পাসের সময় ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হয়েছে বলে ঘোষণা করেন স্পিকার।
ডেল্টা টাইমস্/আইইউ