এর আগে গতকাল রোববার
(২৬ ডিসেম্বর) বিকেলে নৌ
আদালতের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জয়নাব বেগম এমভি অভিযান-১০ লঞ্চের চার মালিকসহ আটজনের বিরুদ্ধে
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। কইসঙ্গে লঞ্চটির ফিটনেস
সনদ, নিবন্ধন ও মাস্টার-ড্রাইভারদের সনদও স্থগিত করেছেন আদালত।
মামলার
আসামিরা হলেন লঞ্চের মালিক প্রতিষ্ঠান মেসার্স আল আরাফ অ্যান্ড কোম্পানির
চার মালিক মো. হামজালাল শেখ, মো. শামিম আহম্মেদ, মো. রাসেল আহাম্মেদ ও
ফেরদৌস হাসান রাব্বি, লঞ্চের ইনচার্জ মাস্টার মো. রিয়াজ সিকদার, ইনচার্জ
চালক মো. মাসুম বিল্লাহ, দ্বিতীয় মাস্টার মো. খলিলুর রহমান ও দ্বিতীয় চালক
আবুল কালাম।রাজধানী ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেফতার করে র্যাব।
প্রায় ৪০০ যাত্রী নিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এমভি অভিযান-১০ সদরঘাট থেকে ছেড়ে যায়। চাঁদপুর ও বরিশাল টার্মিনালে লঞ্চটি থামে এবং যাত্রী ওঠানামা করেন। ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে পৌঁছলে রাত ৩টার দিকে এতে আগুন ধরে যায়।
ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ৮০ জনেরও বেশি যাত্রী দগ্ধ হয়েছেন। দুর্ঘটনার সময় অনেক যাত্রী নদীতে ঝাঁপ দিয়ে বেঁচে গেলেও এখনও নিখোঁজ রয়েছেন শতাধিক।