প্রকাশ: রোববার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২২ এএম (ভিজিট : ০)

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকা। ছবি: সংগৃহীত
ভারতের দিল্লির যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকার মুক্তির আবেদন করা হয়েছে। তাদের জামিনদারদের কাগজপত্র জমা দিয়ে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এ আবেদন করেছে দলটির আইনজীবী দল। আজ রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আইনজীবী দলের দাবি, আটকের দিন জামিনদার উপস্থিত না থাকায় সৌরভ ও আশুতোষকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছিল।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডেকে সূত্র জানিয়েছে, দিল্লি পুলিশ তাদের জামিনদারদের তথ্য যাচাই করছে।
বুধবার সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকাকে পাঁচ দিনের জন্য তিহার কারাগারে পাঠানো হয়। পুলিশের অভিযোগ, তারা শান্তি রক্ষার মুচলেকা ভঙ্গ করেছেন এবং যন্তর মন্তরে অনধিকার প্রবেশ করেছেন। সম্প্রতি দিল্লির এই স্থানটিকে বিক্ষোভের জন্য নির্ধারিত স্থানের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
তাদের সঙ্গে থাকা অজিঙ্কা শিন্ডেকে শান্তি রক্ষার মুচলেকায় সই করার পর ছেড়ে দেওয়া হয়।
পুলিশের ভাষ্য, বারবার নিয়ম ভঙ্গ এবং জনশান্তি বিঘ্নিত করা কিংবা অন্যদের উসকে দেওয়ার আশঙ্কায় সৌরভ ও আশুতোষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর আগে একটি বিক্ষোভের সময় আটকের পর তারা এক বছরের জন্য শান্তি বজায় রাখার মুচলেকায় সই করেছিলেন।
এদিকে, সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে সরকারের বিরুদ্ধে ভিন্নমত দমনের অভিযোগ তুলেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি লেখেন, ‘আশু ও সৌরভকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। তাদের অপরাধ কী? যন্তর মন্তরে তেরঙ্গা ওড়ানো।’
প্রতিবেদন মতে, নতুন একটি মুচলেকায় (পিস বন্ড) সই করার পর শর্তসাপেক্ষ জামিনে মুক্তি পেয়েছেন অভিজিৎ দীপকে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) দিল্লি পুলিশ তাকে মুক্তি দেয়।
এর আগে শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে দলের ঘোষিত ‘লেহরা দো তেরঙ্গা’ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার সময় ঝান্ডেওয়ালানে নিজ বাসভবনের কাছ তাকে আটক করে পুলিশ।
ডেল্টা টাইমস/সিআর/এমই