দিনাজপুরের হাকিমপুরে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে এক নারীকে চার দিন একটি বাড়িতে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই নারীর মায়ের করা মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলার অপর আসামি পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর হাকিমপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পালপাড়া এলাকায় পাওনা টাকা চাইতে গেলে ওই নারীকে মোহাম্মদ রুহুল আমিন ওরফে রিমনের বাড়িতে আটকে রাখা হয়। পরে ৩ অক্টোবর তাঁকে উদ্ধার করা হয়।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ওই নারীকে আটকে রাখার সময় রুহুল আমিন ওরফে রিমন, শুকুর আলী (৫৫) ও ফেরদৌস মিয়া (৫০) তাঁকে ধর্ষণ করেন। এ ছাড়া ঘটনার ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানোর অভিযোগও করা হয়েছে।
বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় লোকজন ওই বাড়িতে গিয়ে দুজনকে আটক করেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করা হলে হাকিমপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের হেফাজতে নেয় এবং ওই নারীকে উদ্ধার করে।
পরে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে হাকিমপুর থানায় মামলা করেন। মামলার পর রুহুল আমিন ওরফে রিমন ও শুকুর আলীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। অপর আসামি ফেরদৌস মিয়া পলাতক রয়েছেন।
হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম বলেন, “এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”
ডেল্টা টাইমস/তাছির উদ্দিন বাপ্পি/সিআর