প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩২ পিএম (ভিজিট : ১১)

সংগৃহীত ছবি
আগামী জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সম্পন্ন করার বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনের প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, এসএসসি পরীক্ষা, রমজান এবং বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতীয় দিবসসহ স্থানীয় সামাজিক বাস্তবতাগুলো বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে একটি সুসংহত ও বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্তে আসবে নির্বাচন কমিশন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ইসি সচিব।
আখতার আহমেদ জানান, ইউএনডিপির ‘ব্যালট’ প্রকল্পের আওতায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, পুলিশ বাহিনী ও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির একটি প্রস্তাব নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। অপতথ্য, ভুল তথ্য (ডিসইনফরমেশন) এবং বিদ্বেষমূলক বক্তব্য (হেইট স্পিচ) মোকাবিলার কৌশল সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সক্ষমতা বাড়ানোই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
তিনি বলেন, এটি কোনো একক নির্বাচনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নয়; বরং ধারাবাহিক সক্ষমতা উন্নয়নের একটি কর্মসূচি। প্রস্তাবটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তু ও অংশগ্রহণকারীদের তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।
অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সিনিয়র সচিব বলেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে নির্বাচনের সময়সূচিসহ বিভিন্ন প্রস্তাব উঠে এসেছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিংবা প্রয়োজন হলে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে কমিশন এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।
তিনি বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির সুষ্ঠু ও সফল নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশার যে উচ্চ মানদণ্ড তৈরি হয়েছে, কমিশন তা ধরে রাখা এবং আরও উন্নত করতে বদ্ধপরিকর। ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্র ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি সামগ্রিক স্থানীয় পরিবেশ মূল্যায়ন করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।