আদালতে জামিননামা জমা দিলেন এমপি গাজী নজরুল

ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:

আইন-আদালত

অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ এবং ভিডিও ফাঁসের সন্দেহে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে রাজধানীর পল্লবী থানার মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের

2026-09-20T18:38:18+06:00
2026-09-20T18:38:18+06:00
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

আদালতে জামিননামা জমা দিলেন এমপি গাজী নজরুল
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
প্রকাশ: রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৮ পিএম   (ভিজিট : ৬)

অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ এবং ভিডিও ফাঁসের সন্দেহে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে রাজধানীর পল্লবী থানার মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম হাইকোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার পর ঢাকার আদালতে জামিননামা দাখিল করেছেন। 

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদের আদালতে তিনি উপস্থিত থেকে এ জামিননামা জমা দেন।

অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ এবং ভিডিও ফাঁসের সন্দেহে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে গত ২১ জুলাই গাড়ি চালক ওবায়দুর রহমান বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। এই মামলায় হাইকোর্ট থেকে গত ১০ আগস্ট ৮ সপ্তাহের জামিন পান গাজী নজরুল ইসলাম।

মামলার আসামিরা হলেন- গাজী নজরুল ইসলাম (৭৪), আমিনুর রহমান (৫৫), মাসুম বিল্লাহ (৪১), মোতাসসিম বিল্লাহ (২৫) ও রাকিবুল হাসান (৩০)।

এজাহারের বিবরণ অনুযায়ী, বাদী ওবায়দুর রহমান পল্লবীর কালশী এলাকার ‘রোজগার্ডেন টাওয়ার’-এ তার বোনের বাসায় বসবাস করতেন। তিনি গাজী নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত গাড়ির চালক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। আত্মীয়তার সূত্রে নজরুল ইসলাম ওই বাসায় যাতায়াত করতেন। একপর্যায়ে নজরুল ইসলামের সঙ্গে ওবায়দুরের ভাগনির অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি টের পেয়ে ওবায়দুর তার পরিবারকে জানান এবং নজরুল ইসলামকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নজরুল ইসলাম তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন।

বাদীর অভিযোগ, সম্প্রতি মগবাজারের একটি চক্র নজরুল ইসলাম ও তার ভাগনির কিছু ‘অপ্রীতিকর ভিডিও’ সংগ্রহ করে নজরুলকে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকে। নজরুল ইসলামের ধারণা হয়, ওবায়দুরই গোপন ভিডিও ধারণ করে সংবাদমাধ্যম ও ওই চক্রের হাতে তুলে দিয়েছেন। এ নিয়ে বিরোধের জেরে গত ১৪ জুলাই নজরুল ইসলামের নির্দেশে অন্য আসামিরা ওবায়দুরের ওপর হামলা চালায়। ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ওবায়দুর বলেন, ওই দিন বেলা ১১টার দিকে আসামি আমিনুর রহমান তাকে কৌশলে ড্রয়িংরুমে ডেকে নেন। সেখানে অন্য আসামিরা মিলে তাকে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে আমিনুর তাকে ফ্লোরে ফেলে গলা টিপে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করেন। ওবায়দুরের মা তাহমিনা ও ছোট বোন মীম এগিয়ে এসে চিৎকার শুরু করলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় ওবায়দুর স্থানীয় কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। 

এজাহারে তিনি আরও উল্লেখ করেন, হামলার পর থেকে আসামিরা তাকে যেখানে পাবে সেখানেই হত্যা করবে বলে হুমকি দিচ্ছেন।

ডেল্টা টাইমস/সিআর/এফএএইচ








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ