প্রকাশ: রোববার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১৯ পিএম (ভিজিট : ০)

সংগৃহীত ছবি
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বৈঠকে ইয়োহেই সাসাকাওয়া বলেন, নিপ্পন ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশের সম্পর্ক অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময়ের গভীর বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক আস্থার ওপর প্রতিষ্ঠিত।
তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য জরুরি সহায়তার মধ্য দিয়ে দুই পক্ষের সহযোগিতার যাত্রা শুরু হয়।
তিনি বলেন, এরপর থেকে নিপ্পন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের জনগণের পাশে থেকে উন্নয়ন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বিভিন্ন উদ্যোগে সহযোগিতা করে আসছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মানবিক সংকট মোকাবিলায় সংস্থাটির কার্যক্রমের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে সাসাকাওয়া আরও জানান, গত ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে তিনি ও তার সংস্থা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), বিভিন্ন সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা, এনজিও এবং কুষ্ঠ আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংগঠনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আসছেন।
বাংলাদেশে কুষ্ঠ রোগীদের সহায়তায় তারা কাজ করতে আগ্রহী বলেও জানান তিনি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির নিপ্পন ফাউন্ডেশন ও জাপানের মানবিক সহায়তার প্রশংসা করেন।
বিশেষ করে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য জাপানের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী সমাধানে পৌঁছাতে জাপানের প্রচেষ্টাকে বাংলাদেশ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘায়িত এ মানবিক ও আঞ্চলিক সংকট সমাধানে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবে।
ডেল্টা টাইমস/সিআর/এনজিটি