ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক থাকবে, তবে জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জাতীয়

জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় রাখতে বাংলাদেশ

2026-08-22T17:15:19+06:00
2026-08-22T17:15:19+06:00
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক থাকবে, তবে জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন নয়
নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশ: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১৫ পিএম   (ভিজিট : ৪)
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন নবনিযুক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। ছবি: সংগৃহীত

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন নবনিযুক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় রাখতে বাংলাদেশ বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ও নবনিযুক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে নবনিযুক্ত মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের সঙ্গে সাভারের আশুলিয়ায় অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতির বীর সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির বিভিন্ন দিক ও ভারত সফর প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, “গত কয়েক মাসে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে একটি নতুন কৌশলগত কাঠামো গড়ে উঠেছে। ওয়াশিংটন, বেইজিং কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো—সবার সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় রাখা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে।”

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং দ্বিপক্ষীয় সফর নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “শেখ হাসিনা ও ভারতে অবস্থানরত অন্যান্য পলাতক আসামিকে দেশে ফিরিয়ে আনা একটি চলমান প্রক্রিয়া। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ (এক্সট্রাডিশন) চুক্তি রয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে দেশে বিচারিক কার্যক্রম চলমান। এটি দেশের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও স্বাভাবিক দাবি।”

ভারত সফর প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ভারতের সঙ্গে আলোচনা ও কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। তবে সফরের বিষয়ে কোনো তাড়াহুড়ো নেই। শীর্ষ পর্যায়ের যেকোনো বৈঠকের আগে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও ভিত্তি তৈরি করতে হয়। সঠিক সময় এবং আলোচনার অগ্রগতির ভিত্তিতে সফর অনুষ্ঠিত হবে।”

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতি ও জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে কারও সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে সরকার কাজ করছে এবং ভারতও বাংলাদেশের মানুষের এই অনুভূতির বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছে।”

তিনি আরও বলেন, “বিশাল জনসমর্থন নিয়ে গঠিত এই সরকার সফট পাওয়ার, আঞ্চলিক প্রভাব এবং আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিশ্বমঞ্চে একটি দায়িত্বশীল ও প্রভাবশালী রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করাই আমাদের লক্ষ্য।”








  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ