প্রকাশ: রোববার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২৭ পিএম (ভিজিট : ৬)

নির্ধারিত সময়ের শুরুতেই আয়কর রিটার্ন দাখিলে করদাতাদের উৎসাহিত করতে নতুন কর প্রণোদনার ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন বিধান অনুযায়ী, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করলে স্বাভাবিক ব্যক্তি (ইন্ডিভিজুয়াল) ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার (এইচইউএফ) করদাতারা পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ পর্যন্ত কর ছাড় পাবেন। তবে এই কর ছাড়ের সর্বোচ্চ সীমা হবে ২৫ হাজার টাকা। ৩০ সেপ্টেম্বরের পর দাখিল করা রিটার্নে এ প্রণোদনা আর প্রযোজ্য হবে না।
রবিবার (২ আগস্ট)এ বিষয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর জানায়, করদাতাদের স্বেচ্ছায় কর পরিপালনে উৎসাহিত করতেই আয়কর আইন, ২০২৩-এর নতুন বিধান অনুযায়ী এ কর প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিলকারীরা পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ (সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা) কর ছাড় পাবেন।
কিন্তু ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন দাখিল করলে কোনো ধরনের কর প্রণোদনা মিলবে না।
অন্যদিকে নির্ধারিত সময়ের পর আরও বিলম্বে রিটার্ন দাখিল করলে অতিরিক্ত কর দিতে হবে। ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ অথবা ৩ হাজার টাকা—এই দুইয়ের মধ্যে যেটি বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর দিতে হবে। আর ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুনের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকা—যেটি বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর প্রযোজ্য হবে।
এনবিআরের মতে, কর প্রণোদনার এ ব্যবস্থা অধিকসংখ্যক করদাতাকে সময়মতো রিটার্ন দাখিলে উৎসাহিত করবে। একই সঙ্গে কর পরিপালনের সংস্কৃতি শক্তিশালী হবে এবং কর প্রশাসনের কার্যক্রম আরও দক্ষ ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
প্রসঙ্গত, গত ২২ জুলাই থেকে ২০২৬-২৭ করবর্ষের জন্য ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের ই-রিটার্ন সেবা চালু করেছে এনবিআর। করদাতারা অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে ঘরে বসেই রিটার্ন দাখিল এবং ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, নগদ ও রকেটসহ বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে কর পরিশোধ করতে পারবেন। সঠিকভাবে রিটার্ন দাখিলের পর তাৎক্ষণিকভাবে প্রাপ্তিস্বীকারপত্র ও আয়কর সনদও সংগ্রহ করা যাবে।