প্রকাশ: রোববার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫৪ পিএম (ভিজিট : ১৩)

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ
হোসেন, এমপি বলেছেন, "শিশুরা ফুলের মতো। তাদের ভেতরে লুকিয়ে থাকা প্রতিভার
বিকাশ ঘটাতে হবে। সেই সুপ্ত প্রতিভা অন্বেষণ ও বিকাশে বাংলাদেশ জিয়া শিশু
একাডেমী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এবার তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে
চ্যানেল আই, যা এ আয়োজনের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।"
রোববার (২৬
জুলাই) রাজধানীর চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে আয়োজিত শিশুশিল্পী প্রতিযোগিতা
‘শাপলাকুঁড়ি-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব
কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নতুন নতুন
প্রতিভাবান শিশুশিল্পী উঠে আসবে, যারা ভবিষ্যতে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে
সমৃদ্ধ করবে। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশের অনেক খ্যাতিমান শিল্পীর
উত্থানে চ্যানেল আই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তাই শিশুদের প্রতিভা
বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
‘যেখানে প্রতিভা, সেখানেই
আমরা’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জিয়া শিশু একাডেমী আয়োজন করছে
‘শাপলাকুঁড়ি-২০২৬’। এবারের আয়োজনটি প্রতিযোগিতাটির ১৪তম আসর।
প্রতিযোগিতায়
কেরাত, আবৃত্তি, অভিনয়, সংগীত, নৃত্য ও যন্ত্রসংগীত—এই ছয়টি বিভাগে দেশের
১২টি জোনের প্রাথমিক বিজয়ীরা চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেবেন। মোট ১৫টি একক ও ৩টি
দলীয় বিষয়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। একজন প্রতিযোগী সর্বোচ্চ তিনটি একক
এবং একটি দলীয় বিষয়ে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
প্রতিটি বিষয়ে প্রথম,
দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান নির্ধারণের পাশাপাশি দুটি বিভাগে মোট দুইজন
‘শাপলাকুঁড়ি চ্যাম্পিয়ন’ নির্বাচিত হবেন। প্রতিযোগিতার প্রতিটি পর্ব
সম্প্রচার করবে চ্যানেল আই।
আগামী ২৬ জুলাই থেকে ২০ আগস্ট ২০২৬
পর্যন্ত প্রতিযোগিতার নিবন্ধন চলবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চ্যানেল আই এবং
বাংলাদেশ জিয়া শিশু একাডেমীর ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মন্ত্রী বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়,
এমপি, চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, বাংলাদেশ জিয়া
শিশু একাডেমীর মহাপরিচালক হুমায়ুন কবীর, নজরুলসংগীতশিল্পী ফেরদৌস আরা ও
ফাতেমা তুজ জোহরা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কণ্ঠশিল্পী বিউটি, লায়লা, মৌমিতা
বড়ুয়া এবং রিয়েলিটি শোটির প্রকল্প পরিচালক রাজু আলীম।
বক্তারা বলেন,
শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ। তাদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে বাংলাদেশ জিয়া শিশু
একাডেমীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের
প্রতিভাবান শিল্পীরা উঠে আসবে এবং দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ
করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধি করবে।