রাজধানীতে চলছে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানী

রাজধানীতে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজের পর অলি-গলিতে শুরু হয় পশু কোরবানি। পশু জবাই ও মাংস কাটার পর নগরীকে

2026-05-28T15:35:16+06:00
2026-05-28T15:35:16+06:00
শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

রাজধানীতে চলছে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ৩:৩৫ পিএম   (ভিজিট : ৪৯)
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

রাজধানীতে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজের পর অলি-গলিতে শুরু হয় পশু কোরবানি। পশু জবাই ও মাংস কাটার পর নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ উভয় সিটি করপোরেশনের কর্মীরা।

আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে পশু কোরবানির পরপরই নগরীর বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় একযোগে শুরু হয় বর্জ্য অপসারণ। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ধানমণ্ডি ও লালবাগ এলাকার বিভিন্ন অলিগলি ঘুরে দেখা যায়, সিটি করপোরেশনের ক্লিনাররা পিকআপভ্যান ও ঠেলাগাড়ি নিয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে কোরবানির পশুর বর্জ্য সংগ্রহ করছেন। বর্জ্যগুলো সংগ্রহের পর তা দ্রুততার সঙ্গে ছোট ছোট ভ্যান থেকে বড় বড় ডাম্পিং ট্রাকে স্থানান্তর করে নির্দিষ্ট সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনে (এসটিএস) নেওয়া হচ্ছে।

সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঈদুল আজহার পবিত্রতা রক্ষায় এবং পরিবেশদূষণ রোধে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শতভাগ বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতে তারা বদ্ধপরিকর।

মাঠ পর্যায়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পাশাপাশি বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম তদারকির জন্য করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও মাঠে রয়েছেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এবার বর্জ্য অপসারণের গতি ভালো। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে দুই সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঈদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি নগরবাসীর সুবিধার্থে খোলা হয়েছে বিশেষ হটলাইন। বর্জ্য সংরক্ষণ ও অপসারণে দুই সিটি কর্পোরেশন থেকে প্রায় ১৭ লাখ ৭০ হাজার প্লাস্টিক, পলিব্যাগ ও বায়োডিগ্রেডেবল ব্যাগ বিতরণ করা হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম গণমাধ্যমকে জানান, ঈদের দিনের বর্জ্য ৮ ঘণ্টায় অপসারণ করা হবে। কোরবানির পশুর হাট ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা তদারকিতে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে বিশেষ তদারকি পরিষদ গঠন করা হয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবহন ও যান্ত্রিক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করে মাঠপর্যায়ে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

ডিএসসিসি প্রশাসক নগরবাসীকে সতর্ক করে বলেন, কোরবানির বর্জ্য কোনোভাবেই ড্রেন বা নর্দমায় ফেলা যাবে না। এতে রোগজীবাণু ছড়ানোর পাশাপাশি বৃষ্টির সময় ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতে পারে।

ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. রাসেল রহমান জানান, মাতুয়াইল স্যানিটারি ল্যান্ডফিলে বর্জ্য স্থানান্তর ও অপসারণে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

আজ ২৮ এবং ২৯ ও ৩০ মে- এই তিন দিনে মোট ৩৩ হাজার ৯৪২ টন বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আজ প্রথম দিনে ১৫ হাজার ৯৩৫ টন, দ্বিতীয় দিনে ১১ হাজার ৭৭৬ টন এবং তৃতীয় দিনে ৬ হাজার ২৩১ টন বর্জ্য অপসারণ করা হবে।

এছাড়া পশুর হাটের বাঁশ, আউড় ও অন্যান্য ময়লা ধাপে ধাপে অপসারণ করা হবে। প্রথম দিনে ৬০ শতাংশ, দ্বিতীয় দিনে ৩০ শতাংশ এবং তৃতীয় দিনে অবশিষ্ট ১০ শতাংশ বর্জ্য পরিষ্কার করা হবে।









  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ