শিশু আয়াত হত্যা মামলার রায় ১৭ জুন

ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:

আইন-আদালত

চট্টগ্রামে চাঞ্চল্যকর পাঁচ বছর বয়সী শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত হত্যা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ১৭ জুন দিন

2026-05-25T18:58:56+06:00
2026-05-25T18:58:56+06:00
শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শিশু আয়াত হত্যা মামলার রায় ১৭ জুন
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক:
প্রকাশ: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ৬:৫৮ পিএম   (ভিজিট : ৩০)
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

চট্টগ্রামে চাঞ্চল্যকর পাঁচ বছর বয়সী শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত হত্যা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ১৭ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। গত শনিবার (২৩ মে) ষষ্ঠ অতিরিক্ত চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাসের আদালতে যুক্তিতর্ক শেষে এ রায়ের দিন ধার্য করেন আদালত।

এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের মামলায় আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি জালাল উদ্দিন গণমাধ্যমে জানান, এই দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় আদালত মোট ৩৩ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন করেছেন। সব ধরনের তথ্য-প্রমাণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আগামী ১৭ জুন রায়ের দিন ধার্য করেছেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, অপরাধের যে নৃশংসতা তদন্তে উঠে এসেছে, তাতে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত।

পুলিশ ও আদালত সূত্র জানা যায়, ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার শিশু কন্যা আলিনা ইসলাম আয়াত হঠাৎ নিখোঁজ হয়। এই ঘটনায় নিখোঁজের দিনই ইপিজেড থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরবর্তীতে পরিবারের আকুল আবেদনে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে।

তদন্তের পর পিবিআই জানতে পারে যে, মুক্তিপণ আদায়ের অসৎ উদ্দেশ্যে শিশু আয়াতকে তাদের বাসার ভাড়াটে মো. আবির অপহরণ করেছিল। তবে পরবর্তীতে পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কায় তিনি শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে নৃশংসভাবে হত্যা করেন। অপরাধের প্রমাণ লুকাতে আয়াতের মরদেহ খণ্ড-বিখণ্ড করে সাগরপাড় ও খালের পাশে ফেলে দেয়া হয়।

২০২২ সালের ২৫ নভেম্বর মূল অভিযুক্ত মো. আবিরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আসামি নিজের মুখে এই লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন। তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পিবিআইয়ের তৎকালীন পরিদর্শক মনোজ দে আদালতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র জমা দেন। এতে মো. আবির এবং তার ১৭ বছর বয়সী এক বন্ধুকে আসামি করা হয়।

প্রধান আসামি আবির বর্তমানে কারাগারে থেকে বিচার ফেস করছেন। অন্যদিকে অপর আসামি কিশোর হওয়ায় তার বিচার প্রক্রিয়া পৃথকভাবে শিশু আদালতে চলছে।


ডেল্টা টাইমস্/আইইউ









  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ