প্রকাশ: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৯:৫৩ পিএম (ভিজিট : ১১)

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল হতেই প্রকাশ্যে আসছে অনেকের মনের ক্ষোভ-বিক্ষোভের কথা। শনিবার (০৯ মে) নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
ঠিক সেই মুহূর্তে নিজের মনের কথা মেলে ধরলেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। পালাবদলের খবর পেয়েই প্রথমে কী মনে হয়েছিল নায়িকার? শ্রাবন্তীর কথা, সত্যি কথা বলতে, প্রথমেই অভয়ার মায়ের মুখটা ভেসে উঠেছিল।
মনে হল, এই বার তিনি বিচার পাবেন। সেই আশায় বসে আছি। নির্যাতিতার মায়ের প্রতি আমার অসীম শ্রদ্ধা। তিনি অভয়ার জন্য লড়ে যাচ্ছেন। একজন মা হিসাবে অবশ্যই চাইব তিনি যেন তার মেয়ের বিচার পান।
এই পরিবর্তন কি চেয়েছিলেন? শ্রাবন্তীর বক্তব্য, ‘আসলে জনতাই জনার্দন। সত্যিই যদি পরিবর্তন আসতে পারে, সত্যিই যদি এই বাংলার জন্য ভালো কিছু হতে পারে তা হলে কেন চাইব না পরিবর্তন? যারা চাকরি পাচ্ছেন না তারা যদি চাকরি পান, ভালো তো!’
এই নির্বাচনে তৃণমূলের হয়ে প্রচার করছিলেন শ্রাবন্তী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকেই কি প্রচারে গিয়েছিলেন? এ বিষয়ে নায়িকার বক্তব্য, ‘আমি একজন শিল্পী। আর একজন শিল্পী হিসাবেই গিয়েছিলাম প্রচারে। শিল্পীদের উপর অনেক চাপ থাকে। আমি ছাড়াও অনেকেই দিদির আহ্বানে প্রচারে গিয়েছিলেন। আমি তো নগণ্য। ভোটের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগে আমায় অনেকেই প্রশ্ন করেছিলেন, আমি প্রার্থী হচ্ছি কি না। আমি তো দলে যোগ দিইনি। কারণ, আমি জানি আমি হব না।’
তা হলে আর কি বিজেপিতে ফেরার ইচ্ছে আছে? জবাবে শ্রাবন্তী বলেন, ‘আমি মনে করি, রাজনীতি আমার জায়গা নয়। আমি যখন প্রার্থী হয়েছিলাম, তখন হয়তো একজন অভিনেত্রীকে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসাবে মেনে নিতে অসুবিধা হয়েছিল মানুষের। এখন আমি অভিনেত্রী হিসাবেই ভালো আছি। আজকে এত কুৎসা হচ্ছে, শিল্পীদের নিয়ে এত কথা এত ট্রোলিং চলছে, কী বলব! শিল্পীরা কী ভাবে চলেন, এসব বলার আগে সাধারণ মানুষ কি একবারও ভাবেন? আমাদের উপরেও তো চাপ থাকে।’
২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে তিনি বিজেপির হয়ে বেহালা পশ্চিম থেকে লড়েছিলেন শ্রাবন্তী। তার বিরুদ্ধে প্রার্থী ছিলেন তৃণমূলের পার্থ চট্টোপাধ্যায়। প্রায় ৫০,৮৮৪ ভোটে হেরেছিলেন শ্রাবন্তী। ওই হারের পরে নায়িকাকে বিজেপির কোনও কর্মসূচিতে তেমন দেখা যায়নি।
ডেল্টা টাইমস/সিআর/এমই