নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাপার দুই প্রার্থী

ডেল্টা টাইমস ডেস্ক :

সারাদেশ

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রতি আস্থা নেই জানিয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় পার্টির

2023-12-31T12:46:14+06:00
2023-12-31T12:53:52+06:00
শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাপার দুই প্রার্থী
ইসির প্রতি আস্থা নেই
ডেল্টা টাইমস ডেস্ক :
প্রকাশ: রোববার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩, ১২:৪৬ পিএম  আপডেট: ৩১.১২.২০২৩ ১২:৫৩ পিএম  (ভিজিট : ৫৭৭)
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রতি আস্থা নেই জানিয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) দুই প্রার্থী। রবিবার সকালে বরিশাল নগরীর একটি রেঁস্তোরায় সংবাদ সম্মেলন করে তাঁরা এ ঘোষণা দেন।

সরে দাঁড়ানো প্রার্থীরা হলেন, বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) ও বরিশাল-৫ (সদর) আসনের ইকবাল হোসেন তাপস এবং বরগুনা-১ (আমতলী-তালতলা) আসনের খলিলুর রহমান। এসব আসনে নির্বাচন করছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী রাশেদ খান মেনন (বরিশাল-২), আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহিদ ফারুক (বরিশাল-৫) ও ধীরেন্দ্রনাথ শম্ভু (বরগুনা-১)।
 

সংবাদ সম্মেলনে ইকবাল হোসেন তাপস বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি দল ও সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। তাঁদের নিজস্ব কোনো ক্ষমতা নেই।আগামী ৭ জানুয়ারি একটি প্রহসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে সাধারণ মানুষের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এখানে রয়েছে কেবল একটি লেজুরভিত্তিক দল। আর ওই দল নিয়ন্ত্রণ করছে নির্বাচন কমিশনকে। তাই দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ইকবাল হোসেন আরো বলেন, ‘দলের চেয়ারম্যান পরিস্থিতির শিকার। তিনি বাধ্য হয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। নির্বাচনের আরো বেশ কয়েকদিন বাকি আছে। শেষ পর্যন্ত জাতীয় পার্টি নির্বাচনে থাকবে কি না, তা নিয়েও সংশয় রয়েছে।’ সরকার দলীয় প্রার্থীদের সমালোচনা করে ইকবাল হোসেন বলেন, ‘কমিশন একটি দলের দালালি না করলে সরকার দলীয় প্রার্থীদের পর্যালোচনা করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিত।’

ইকবাল হোসেন আরো বলেন, সরকার দলীয় প্রার্থীদের এবং তাঁদের ডামি স্বতন্ত্র প্রার্থীদের হলফনামা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কেউ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন, যা হলফনামায় উল্লেখ করেননি। আর বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর তা ছড়ানো হচ্ছে বিদেশে ব্যবসা করছেন। অনেক প্রার্থী তাঁদের সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। কেউ স্বর্ণের ভরি দেখিয়েছেন ৫০০ টাকা আবার কেউবা জমির একর দেখিয়েছেন এক হাজার টাকা। এরপর এসব প্রার্থীদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। তাই এ কমিশনের ওপর ভরসা করা যায় না।

খলিলুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের নেই। তাই সরকার নিয়ন্ত্রিত এই কমিশনের অধীনে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রশ্নই আসে না। এ কারণে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালাম।’



ডেল্টা টাইমস/সিআর









  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ