বৃহস্পতিবার ১ ডিসেম্বর ২০২২ ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

চরফ্যাশনে বাড়ছে চোখ ওঠা রোগ, মানছেনা স্বাস্থ্যবিধি
চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি:
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৩:১৯ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

চরফ্যাশনে বাড়ছে চোখ ওঠা রোগ, মানছেনা স্বাস্থ্যবিধি

চরফ্যাশনে বাড়ছে চোখ ওঠা রোগ, মানছেনা স্বাস্থ্যবিধি

ভোলা চরফ্যাশনে চোখ ওঠা রোগের প্রকোপ বেড়েছে।  প্রায় প্রতিটি ঘরেই এ রোগে কেউ না কেউ আক্রান্ত হয়েছেন। মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। চিকিৎসকরা বলছেন গরমে ও বর্ষার কারণে এ রোগের প্রকোপ বাড়ছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটিকে কনজাংটিভাইটিস কনজাংটিভার বলা হয়।তবে স্থানীয়ভাবে এ সমস্যাটি চোখ ওঠা নামে পরিচিত। তবে এ রোগটি ছোঁয়াচে। ফলে দ্রুত অন্যদের মধ্যে রোগটি ছড়িয়ে পড়ে।

চরফ্যাসন উপজেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিক্যাল অফিসার জানান, বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) জরুরি বিভাগে আসা ৩০ জন রোগীর মধ্যে ১৫ জনই চোখ ওঠা রোগী ছিলেন।

 স্কুল- মদ্রাসা, হাসপাতাল সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। চরফ্যাশন হাসপাতালে আসা মরিয়ম জানান, “আমার ও আমার পরিবারের সকলের চোখ উঠা রোগ দেখা দিয়েছে। চোখে কাটা কাটা বাজে, চুলকায়। আলোর দিকে তাকাতে পারি না। ঘুম থেকে উঠে দেখি দু’চোখ আটকিয়ে গেছে”। চিকিৎসা নেয়ার পর সুস্থ্য হয়েছি। পল্লী চিকিৎসক ও মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা মহিউদ্দিন বলেন, ‘প্রথমে আমার স্ত্রী আক্রান্ত হয়। এরপর আমার দুই সন্তান সহ আমিও আক্রান্ত হই।’

 গিরিন মেডিক্যাল হল, সাহারা মেডিকেল হল সহ কয়েকটি মেডিকেল মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক দিনে চোখের ড্রপের চাহিদা বেড়েছে। এতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়েই চোখের ড্রপ ও অ্যান্টিহিস্টামিন ওষুধ সেবন করছেন। এসব ওষুধ সেবন করে অনেকেই ২/৩ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন।অনেকে হোমিও চিকিৎসা নিয়েও সুস্থ্য হয়েছেন। তবে চোখ ওঠা রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা রোগটি ছোঁয়াচে জেনেও তারা তাদের প্রাত্যহিক কাজ করে যাচ্ছেন। মেলামেশা করছেন সবার সঙ্গেই।’

দ্বীপ চক্ষু হাসপাতাল আসা কয়েকজন রোগীর সাথে আলাপকালে তারা জানান, এখান থেকে চোখ ওঠা রোগে আক্রান্ত পরিবারের সকলে চিকিৎসা নিয়েছি। এখন মোটামুটি সুস্থ্য হয়ে উঠছে। পরিবারের অন্য সদস্যদের কথা চিন্তা করে বাসায় কালো চশমা ব্যবহার করছি। এর আগে পরিবারের কয়েকজনের এ সমস্যা হয়েছে। ৪/৫ দিনের মধ্যে সেড়েও উঠেছেন তারা।’

চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.শোভন বসাক বলেন, ‘চোখ ওঠা ছোঁয়াচে রোগ। পরিবারের একজনের থেকে অন্যজনের হতে পারে। সুতরাং এসব ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধের জন্য পরিবারের সবাই কাপড়, তোয়ালে ও অন্যান্য জিনিস আলাদা ব্যবহার করতে হবে। আক্রান্তদের হতাশ না হয়ে চক্ষু চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।


ডেল্টা টাইমস্/রুবেল আশরাফুল/সিআর/এমই

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো. আমিনুর রহমান
প্রকাশক কর্তৃক ৩৭/২ জামান টাওয়ার (লেভেল ১৪), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত
এবং বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২১৯ ফকিরাপুল, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত।

ফোন: ০২-৪৭১২০৮৬১, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো. আমিনুর রহমান
প্রকাশক কর্তৃক ৩৭/২ জামান টাওয়ার (লেভেল ১৪), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত
এবং বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২১৯ ফকিরাপুল, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত।
ফোন: ০২-৪৭১২০৮৬১, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]