শনিবার ২২ জানুয়ারি ২০২২ ৮ মাঘ ১৪২৮

শেরপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এক দলিলেই রাজস্ব ফাঁকি ১৭লাখ টাকা!
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি:
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২১, ১২:৩৩ পিএম আপডেট: ২৫.১১.২০২১ ২:৫৫ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

বিদায় বেলায় বগুড়ার শেরপুরের সাব-রেজিস্ট্রার নূরে আলম সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করার অভিযোগ উঠেছে। আইন বহির্ভূতভাবে জমির শ্রেণী পরিবর্তনের মাধ্যমে দলিল রেজিস্ট্রি করে এক দলিলেই রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয় অন্তত সতের লাখ টাকা। বুধবার (২৪নভেম্বর) এই দলিল রেজিস্ট্রির ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।

দলিল লেখকদের অভিযোগ, বদলি জনিত কারণে এদিনই শেষ কর্মদিবস এই সাব-রেজিস্ট্রারের। তাই অনেকটা গোপনেই তড়িঘড়ি করে দলিলটি রেজিস্ট্রি করেন। এতে সরকার লাখ লাখ টাকা রাজস্ব হারালেও তার পকেটে উঠেছে মোটা অঙ্কের টাকা। শুধু এই ঘটনাই নয়। এমন আরও অনেকটা ঘটনাই ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে। তাই সরকারের উচ্চমহল থেকে তদন্ত হলে এই উপজেলায় সরকারি লাখ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকির গোমড় বের হয়ে আসবে বলে দাবি করেন তারা।

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের দড়িমুকুন্দ মৌজায় দুই একর চার শতক বাণিজ্যিক জমি বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২’এর জেনারেল ম্যানেজার ক্রয় করেন। জমি বিক্রেতা স্থানীয় বাসিন্দা এসএম কামাল হোসেন। সর্বশেষ জমির কাগজপত্রে বাণিজ্যিক হিসেবেই নামজারি ও খাজনা পরিশোধ করেন তিনি। অথচ ধানি জমি হিসেবে উল্লেখ করে বুধবার দুপুরে তার নিকট থেকে জমিটি রেজিস্ট্রি করে নেওয়া হয়। যার দলিল নং-১১০৯০। পুরো বিষয়টি সাব-রেজিস্ট্রার নূরে আলম সিদ্দিকীকে ম্যানেজ করেই করা হয়। এতে করে সরকার বাণিজ্যিক জমি রেজিস্ট্রির নির্ধারিত ভ্যাট-ট্যাক্স থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এভাবে জমির শ্রেণী পরিবর্তন করে দলিল রেজিস্ট্রি করায় সরকার অন্তত সতের লাখ টাকা রাজস্ব হারিয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

এদিকে এই দলিলে সম্পাদনকারি হিসেবে স্বাক্ষর করেছেন দলিল লেখক মতিউর রহমান মতি। তাঁর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, জমির সব কাগজপত্রই ধানি রয়েছে। শুধু বাণিজ্যিক হিসেবে খাজনা পরিশোধ করা হয়। তাই সেভাবেই দলিল করা হয়েছে। এক্ষেত্রে জমির কোনো শ্রেণী পরিবর্তন করা হয়নি বলে জানান তিনি।

বিষয়টি সম্পর্কে বক্তব্য জানতে চাইলে অভিযুক্ত সাব-রেজিস্ট্রার নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, যথাযথ নিয়ম মেনেই দলিলটি রেজিস্ট্রি করা হয়েছে। তাই সরকার কোনো রাজস্ব হারাননি। এসব নিছক অপপ্রচার। আমি এখানে যোগদানের পর যেসব দলিল লেখক কোনো অবৈধ সুযোগ-সুবিধা নিতে পারেননি মূলত তারাই আমার এই বিদায় বেলায় এ ধরণের মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করেছেন বলে দাবি করেন এই সাব-রেজিস্টার।



ডেল্টা টাইমস্/শহিদুল ইসলাম শাওন/সিআর/জেড এইচ

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো: আমিনুর রহমান
প্রধান কার্যালয়: মহাখালী ডিওএইচএস, রোড নং-৩১, বাড়ী নং- ৪৫৫, প্রকাশক কর্তৃক বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস থেকে মুদ্রিত
২১৯ ফকিরাপুল (১ম লেন নীচ তলা), মতিঝিল থেকে প্রকাশিত।  বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২ জামান টাওয়ার (১৫ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।

ফোন: ০২-৪৭১২০৮৬১, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো: আমিনুর রহমান
প্রধান কার্যালয়: মহাখালী ডিওএইচএস, রোড নং-৩১, বাড়ী নং- ৪৫৫, প্রকাশক কর্তৃক বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস থেকে মুদ্রিত
২১৯ ফকিরাপুল (১ম লেন নীচ তলা), মতিঝিল থেকে প্রকাশিত।  বাণিজ্যিক কার্যালয়: ৩৭/২ জামান টাওয়ার (১৫ তলা), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ০২-৪৭১২০৮৬১, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]