মঙ্গলবার ৩১ জানুয়ারি ২০২৩ ১৭ মাঘ ১৪২৯

রান্নার তেলে ‘বিষ’, ৯ দেশকে স্বাস্থ্য সংস্থার হুঁশিয়ারি
ডেল্টা টাইমস্ ডেস্ক:
প্রকাশ: বুধবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৩, ৯:৩৩ এএম | অনলাইন সংস্করণ

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ট্রান্স ফ্যাট সেবনের কারণে বিশ্বের পাঁচ বিলিয়ন মানুষ এখন মারাত্মক হৃদরোগের ঝুঁকির সম্মুখীন বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এছাড়াও এ কারণে গত কয়েক বছরের মধ্যে প্রতি বছর প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।

সংস্থাটি বলছে, ২০২৩ সালের মধ্যে সারা বিশ্ব থেকে কারখানায় তৈরি ফ্যাটি অ্যাসিড নির্মূল করার জন্য ২০১৮ সালে একটি আবেদন জারি করা হয়েছিল। কিন্তু অনেক দেশই কোন পদক্ষেপ নেয়নি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রধান টেড্রোস অ্যাডনম গেব্রেহাস বলেন, মিশর, অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়া এমন দেশগুলির মধ্যে রয়েছে যারা এ ধরনের নীতি তৈরি করেনি। বিশেষ করে ট্রান্স ফ্যাট থেকে হৃদরোগের ঝুঁকি সেখানে অনেক বেশি।

একটি প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রধান বলেন, ট্রান্স ফ্যাট একটি বিষাক্ত রাসায়নিক যা মানুষকে হত্যা করে। এটি খাওয়া উচিত নয়। অনেক দেশের খাদ্য প্রস্তুতকারীরা এই ট্রান্স ফ্যাট ব্যবহার করে কারণ এটি দীর্ঘ সময় টেকে ও সস্তা।

তিনি বলেন, ট্রান্স ফ্যাটের প্রধান উৎস হাইড্রোজেনেটেড তেলের উৎপাদন বা ব্যবহারে দেশব্যাপী নিষেধাজ্ঞা করা উচিত, অথবা সব খাবারে মোট চর্বির ১০০ গ্রাম ট্রান্স ফ্যাটের পরিমাণ মাত্র দু'গ্রাম সীমাবদ্ধ করা উচিত।

ট্রান্স ফ্যাটের কারণে হৃদরোগ এবং মৃত্যুর উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে এমন ১৬টি দেশের মধ্যে নয়টি দেশ এখনও এ বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। এই দেশগুলির মধ্যে রয়েছে- অস্ট্রেলিয়া, আজারবাইজান, ভুটান, ইকুয়েডর, মিশর, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান এবং দক্ষিণ কোরিয়া।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক পরিচালক ফ্রান্সেস্কো ব্রাঙ্কা এই দেশগুলোকে 'জরুরি পদক্ষেপ' নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

ট্রান্স ফ্যাট কী?
ট্রান্স ফ্যাট হল এক ধরনের অসম্পৃক্ত ফ্যাটি অ্যাসিড। যা স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে না, কিন্তু যখন এটি শিল্প কারখানায় প্রস্তুত করা হয় এবং খাদ্য হিসাবে ব্যবহার করা হয়, তখন এটি স্লো পয়জেনিং-এর মতো ব্যবহার হয়। ভেজিটেবল ওয়েলে বিপজ্জনক ট্রান্স ফ্যাট থাকে। খাবারে ব্যবহৃত এই তেল হৃৎপিণ্ডের ধমনী বন্ধ করে দেয়। এটি প্রায়শই প্যাকেটজাত খাবার যেমন চিপস, বেকড খাবার যেমন কুকিজ, কেক, রান্নার তেল এবং আরও অনেক কিছুতে ব্যবহৃত হয়। সূত্র: আজতাক বাংলা

ডেল্টা টাইমস্/সিআর/একে

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
  এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ  
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো. আমিনুর রহমান
প্রকাশক কর্তৃক ৩৭/২ জামান টাওয়ার (লেভেল ১৪), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত
এবং বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২১৯ ফকিরাপুল, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত।

ফোন: ০২-৪৭১২০৮৬১, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. জাহাঙ্গীর আলম, নির্বাহী সম্পাদক: মো. আমিনুর রহমান
প্রকাশক কর্তৃক ৩৭/২ জামান টাওয়ার (লেভেল ১৪), পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত
এবং বিসমিল্লাহ প্রিন্টিং প্রেস ২১৯ ফকিরাপুল, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত।
ফোন: ০২-৪৭১২০৮৬১, ০২-৪৭১২০৮৬২, ই-মেইল : [email protected], [email protected]