শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৯, ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

আটক ৭ জনের মুক্তি চেয়ে সারারাত অবস্থান

নিজস্ব প্রতিবেদক, ডেল্টাটাইমস্, আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০১৯

/ ক্যারিয়ার

বয়সবৃদ্ধির দাবিতে ডাকা সমাবেশ শুরু হওয়ার পূর্বে  আটক বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের ৭ শীর্ষ নেতার মুক্তির দাবিতে সারারাত জেগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন আন্দোলনকারীরা।

সংগঠনের যুগ্ন আহ্বায়ক সুদীপ পালের নেতৃত্বে  শনিবার রাত ১১টা থেকে মাত্র ১৪ জন কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে অবস্থান নেয়। সকাল পর্যন্ত তারা সেখানে ছিলেন।

তারা জানান, আটককৃতদের না ছাড়া হলে শহিদ মিনারে লাগাতার অবস্থান চলবে।

যুগ্ন আহ্বায়ক সুদীপ পাল সকাল ৮টায় মুঠোফোনে ক্যারিয়ারটাইমস২৪.কমকে বলেন, আমরা রাত ১১টা থেকে শহিদ মিনারে অবস্থান নিয়েছি। আটককৃতদের ছাড়া না হলে কর্মসূচি চলবে।

শাহবাগ থানা পুলিশ বলছে, আমরা ৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এনেছি। আটক বা গ্রেফতার করা হয়নি।

শাহবাগ থানায় যোগাযোগ করা হলে রইচ নামের একজন পুলিশ সদস্য ক্যারিয়ারটাইমস২৪.কমকে বলেন, আমি মাত্র আসলাম। তাদের অবস্থা আমার জানা নেই। আধাঘণ্টা পরে জানানো যাবে।

এর আগে গতকাল শনিবার সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ বছর থেকে বাড়িয়ে ৩৫ বছর করার দাবিতে ঘোষিত সমাবেশ শুরুর পূর্বে চাকরি প্রত্যাশী ৭ জনকে আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশ। পাশাপাশি শাহবাগে তাদের দাঁড়াতে দেওয়া হয়নি। এরপর সমাবেশ বাতিল না করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে আন্দোলনকারীরা।

আন্দোলনকারীরা জানায়, কাল বিকেল ৪ টায় ৩৫ এর কর্মসূচি থেকে কেন্দ্রীয় কমিটির, হারুন, আনিস, শামিম, বিনয়সহ ৭ জন আটক করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ। আটককতরা শাহবাগ থানায় রয়েছেন বলেও জানায় তারা।

শনিবার দুপুরে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালনকালে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের সামনে সমাবেশ শুরু হয়েছে।

শাহবাগ থানা সূত্রে জানা যায়, ঘটনাস্থল থেকে ৭ জনকে নিয়ে আসা হয়েছে। তারা হলেন- বিনয় বিশ্বাস, হারুন অর রশিদ, শামীম রেজা, আনিসুল হক, আরিফুল ইসলাম, আরিফ ও মনসুর আলম।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করার দাবিতে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বিকেল ৩টায় আন্দোলনকারীরা শাহবাগ এলাকায় সংগঠিত হতে শুরু করে। একই সময়ে জাদুঘরের সামনে অবস্থান নেয় পুলিশ। সেখান থেকেই আন্দোলনকারীদের আটক করে।

পরে আন্দোলনকারীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি)-তে অবস্থিত রাজু ভাস্কর্যের দিকে প্রবেশের দাবি জানায়। তারপরও পুলিশ তাদের অনুমতি দেয়নি।