বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ১ কার্তিক ১৪২৬

জেনে নিন “ডোপ টেস্ট” কী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ডেল্টাটাইমস্, আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০১৮

/ লাইফস্টাইল
-ফাইল ছবি

কিছু কিছু মাদক বা এ্যলকোহল জাতীয় নেশাকর পন্য আছে যার রেশ শরিরে থেকে যায়। আর এগুলোই ডোব টেস্টের মাধ্যেমে ধরা হয়। খেলাধুলায় আরটিফিসিয়াল কিছু ব্যবহার করে লাভবান হওয়ার সুযোগ নাই।

তাই যখনেই কারো উপর ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ সংস্থা গুলোর সন্দেহ হয় বা সন্দেহের অভিযোগ তোলা হয়। তখন তারা তাকে সোকজ করে থাকে। পরবর্তীতে ঐ খেলোয়ারকে ডোব টেস্টের সম্মুখীন হতে হয়। যদি ফলাফল নেগিটিভ হয় তাহলে তাকে অর্থদণ্ড, বরখাস্ত বা কারাভোগ দিয়ে থাকে ক্রিয়া আইন অনুযায়ী। প্রযুক্তির উন্নতির কারণে অনেক ক্রীড়াবিদই এমন সব নিষিদ্ধ পদার্থ ব্যবহার করেন, যার ফলে ক্রীড়া নৈপুন্যে সাময়িক ভাবে অতিরিক্ত শক্তির যোগান পায়।

যেখানে দেহের স্বাভাবিক শক্তির চেয়ে অতিরিক্ত শক্তি সঞ্চারিত হয়, যার ফলে স্বাভাবিক ক্রীড়াবিদরা হেড়ে যায়। এই নিষিদ্ধ কর্মকান্ড প্রতিহত করার জন্যে প্রতিটা আন্তর্জাতিক ক্রীড়াবিদকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিভিন্ন পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয়, একেই ডোপিং টেষ্ট বলে।

ডোপিং টেষ্টের ফলাফল নেগেটিভ হলে খেলোয়ারকে আন্তর্জাতিক আইনানুযায়ী বিভিন্ন রকম শাস্তি ভোগ করতে হয়। গতবারের শীতকালীন অলিম্পিক সোচি অলিম্পিকে ডোপিং পরীক্ষা করা হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার৷ এটি একটি রেকর্ড৷ কারণ এত বিপুল পরিমাণ পরীক্ষা এর আগে কোনো প্রতিযোগিতায় করা হয়নি৷ তবে এ সব পরীক্ষায় নানা সীমাব্ধতা রয়েছে, যার কারণে নিষিদ্ধ ওষুধ ব্যবহারকারী প্রতিযোগীরা প্রায়ই পার পেয়ে যাচ্ছেন৷

দুর্ভাগ্যজনকভাবে গত কয়েক বছরে চিকিৎসা শাস্ত্রের উন্নতি হলেও ডোপিং পরীক্ষায় তা প্রয়োগ করা হচ্ছে না৷ সমস্যাটা হলো, যেসব প্রতিযোগী ভীষণ চালাক, তাঁদের একটি দল আছে৷ এই দলটি জানে, কিভাবে স্বল্প পরিমাণে একটি দ্রব্যের সাথে অন্য দ্রব্য মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়, যার ফলে তা পরীক্ষায় ধরা পড়ে না৷

'' গ্রীষ্মকালের চেয়ে শীতকালীন অলিম্পিকে ডোপিং-এর ঘটনা বেশি ঘটে – সাংবাদিকের এমন মন্তব্য অস্বীকার করে সিমন বলেন, আবহাওয়ার সাথে এর কোনো সম্পৃক্ততা নেই৷ তিনি আরো জানান, ‘‘আইওসি ক্রীড়াঙ্গনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর সাথে জড়িত, কিন্তু এই একটি বিষয়ে তারা তেমন কোনো উন্নতি করতে পারেনি৷'' তাই ডোপিং বিরোধী প্রচারণায় বেশি জোর না দিয়ে ডোপিং পরীক্ষার উন্নয়ন ঘটানো উচিত বলে মনে করেন সিমন৷

ডেল্টা /তারেক