সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

হাঙরের ১০ অজানা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ডেল্টাটাইমস্, আপডেট : ৫ জুলাই ২০১৮

/ ইচ্ছেঘুড়ি

১. হাঙরের কবলে এ পর্যন্ত যে পরিমাণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে তারচেয়ে অনেক গুণ বেশি হাঙর হত্যা করেছে মানুষ। বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর গড়ে ছয়জন মানুষ হাঙরের কবলে নিহত হয়। আর মানুষের হাতে প্রতি বছর মারা পড়ে সাত থেকে দশ কোটি হাঙর।

২. কেবল তিন প্রজাতির হাঙর মূলত মানুষকে কামড়ায় এবং মারাত্মক জখম করে। বিজ্ঞানীরা বলেন পৃথিবীতে ৪০০’রও বেশি প্রজাতির হাঙর রয়েছে। এরমধ্যে বুল শার্ক, টাইগার শার্ক এবং হোয়াইট শার্ক বিপদজনক। হাঙররা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কৌতুহল থেকে মানুষকে কামড়ায়, শত্রুতা থেকে নয়।

৩. যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি হাঙরের আক্রমণ ঘটে। এ ধরনের ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘটে ফ্লোরিডায়। ২০১৭ সালে সেখানে ৩১ জন হাঙর আক্রমণের শিকার হয়েছেন। তবে কেউ নিহত হননি। বিশ্বজুড়ে ২০১৭ সালের পর থেকে পাঁচজন হাঙর আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন।

৪. অস্ট্রেলিয়ার কিছু হাঙর প্রবণ উপকূলে ড্রোন বা হেলিকপ্টারের সাহায্যে হাঙরের ওপর নজর রাখা হয়। কেপটাউনের উপকূলে হাঙর দেখা গেলে সৈকতে বিশেষ সতর্কতামূলক পতাকা টাঙানো হয়। কোনো কোনো সৈকতে হাঙরের প্রবেশ ঠেকাতে বিশেষ বেড়া বসানো হয়। এসব কারণে হাঙরের আক্রমণ অনেক কমে গেছে।

৫. প্রাণী সংরক্ষণবাদীদের দাবি হাঙর মানুষের জন্য যতোটা হুমকিজনক তারচেয়ে হাজার গুণ হুমকিতে রয়েছে হাঙর মানুষের দ্বারা। বংশবিস্তারের চেয়ে অনেক বেশি হারে হাঙর মেরে ফেলা হচ্ছে। হাঙরের লেজ দিয়ে মজাদার স্যুপ হয় বলে সমুদ্র থেকে হাঙর শিকার করে লেজ কেটে নেয় অনেকে। আবার অন্য মাছ শিকারের সময় জালে অনেক সময় হাঙর ধরা পড়ে। সবচেয়ে কম বিপদজনক হাঙর গচ্ছে হোয়েল শার্ক। এরা প্লাংকটন খায়। ২০১৬ সালে এই প্রজাতিটিকে বিপন্ন ঘোষণা করা হয়।

৬. হোয়েল শার্ক পৃথিবীর বৃহত্তম মাছ। এর দৈর্ঘ্য ৪০ ফুট এবং ওজন ২০ টনেরও বেশি হতে পারে। এদের দাঁত থাকলে খাওয়ার জন্য

    হাঙরের নাম শুনলেই সবার মধ্যে ভয়ের একটা অনুভূতি কাজ করে। বিভিন্ন সিনেমায় এই প্রাণীটাকে একতরফাভাবে মানুষ খেকো হিসেবেই দেখানো হয়েছে। কিন্তু আমরা কি জানি, হাঙর খুব কমই ক্ষতি করে মানুষের। জেনে নেওয়া যাক হাঙর সম্পর্কে এরকমই কিছু অজানা কথা:
১. হাঙরের কবলে এ পর্যন্ত যে পরিমাণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে তারচেয়ে অনেক গুণ বেশি হাঙর হত্যা করেছে মানুষ। বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর গড়ে ছয়জন মানুষ হাঙরের কবলে নিহত হয়। আর মানুষের হাতে প্রতি বছর মারা পড়ে সাত থেকে দশ কোটি হাঙর।

২. কেবল তিন প্রজাতির হাঙর মূলত মানুষকে কামড়ায় এবং মারাত্মক জখম করে। বিজ্ঞানীরা বলেন পৃথিবীতে ৪০০’রও বেশি প্রজাতির হাঙর রয়েছে। এরমধ্যে বুল শার্ক, টাইগার শার্ক এবং হোয়াইট শার্ক বিপদজনক। হাঙররা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কৌতুহল থেকে মানুষকে কামড়ায়, শত্রুতা থেকে নয়।

৩. যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি হাঙরের আক্রমণ ঘটে। এ ধরনের ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘটে ফ্লোরিডায়। ২০১৭ সালে সেখানে ৩১ জন হাঙর আক্রমণের শিকার হয়েছেন। তবে কেউ নিহত হননি। বিশ্বজুড়ে ২০১৭ সালের পর থেকে পাঁচজন হাঙর আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন।

৪. অস্ট্রেলিয়ার কিছু হাঙর প্রবণ উপকূলে ড্রোন বা হেলিকপ্টারের সাহায্যে হাঙরের ওপর নজর রাখা হয়। কেপটাউনের উপকূলে হাঙর দেখা গেলে সৈকতে বিশেষ সতর্কতামূলক পতাকা টাঙানো হয়। কোনো কোনো সৈকতে হাঙরের প্রবেশ ঠেকাতে বিশেষ বেড়া বসানো হয়। এসব কারণে হাঙরের আক্রমণ অনেক কমে গেছে।

৫. প্রাণী সংরক্ষণবাদীদের দাবি হাঙর মানুষের জন্য যতোটা হুমকিজনক তারচেয়ে হাজার গুণ হুমকিতে রয়েছে হাঙর মানুষের দ্বারা। বংশবিস্তারের চেয়ে অনেক বেশি হারে হাঙর মেরে ফেলা হচ্ছে। হাঙরের লেজ দিয়ে মজাদার স্যুপ হয় বলে সমুদ্র থেকে হাঙর শিকার করে লেজ কেটে নেয় অনেকে। আবার অন্য মাছ শিকারের সময় জালে অনেক সময় হাঙর ধরা পড়ে। সবচেয়ে কম বিপদজনক হাঙর গচ্ছে হোয়েল শার্ক। এরা প্লাংকটন খায়। ২০১৬ সালে এই প্রজাতিটিকে বিপন্ন ঘোষণা করা হয়।

৬. হোয়েল শার্ক পৃথিবীর বৃহত্তম মাছ। এর দৈর্ঘ্য ৪০ ফুট এবং ওজন ২০ টনেরও বেশি হতে পারে। এদের দাঁত থাকলে খাওয়ার জন্য