মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

মহার প্রভাবে বৃষ্টির বাধায় পড়তে পারে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ডেল্টাটাইমস্, আপডেট : ৬ নভেম্বর ২০১৯

/ খেলা

ধীরে ধীরে শক্তি হ্রাস পেলেও, সাইক্লোন মহার প্রভাবে বৃষ্টির বাধায় পড়তে পারে রাজকোটে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি। এমনটাই জানিয়েছেন ভারতের আবহবিদ্যা বিভাগ। তবে মহারাষ্ট্রে খুব বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি করতে পারবে না এই ঘূর্ণিঝড়। যদিও ম্যাচ ডে'তে সারাদিন বৃষ্টির শঙ্কা আছে।

প্রকৃতির ঈর্ষা একেই বলে। দূষণের দিল্লি ফিরতে শুরু করেছে স্বাভাবিক অবস্থায়। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা হয়তো ভেবেছিলেন, দিল্লি ছেড়ে যেতে পারলেই রক্ষা। কিন্তু, এবার চোখ রাঙাচ্ছে সাইক্লোন মহা।

বাংলাদেশ-ভারত দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির ভেন্যু রাজকোট সহ গুজরাটে আঘাত হানতে পারে এই ঘূর্ণিঝড়, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের এমন খবরে শঙ্কিতই হওয়ার কথা। টাইগার ক্রিকেটাররা যে এখন রাজকোটে।। কতোটুকু শক্তি নিয়ে মহারাষ্ট্র অস্থির করতে আসছে সাইক্লোন মহা? ভারতের মিনিস্ট্রি অব আর্থ সায়েন্সের আবহবিদ্যা ডিপার্টমেন্টের দিল্লির হেড অফিস অবশ্য বিচলিত হওয়ার মতো খবর দেয়নি।

ভারতীয় আবহবিদ্যা ডিপার্টমেন্টের ডিরেক্টর জেনারেল ড. মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র বলেন, ভয়াবহ থেকে কিছুটা কমে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দিকে সরে যাচ্ছে সাইক্লোন মহা। গুজরাটে আঘাত হানার সময় বাতাসের গতি থাকবে ঘণ্টায় ৭০-৮০ কিলোমিটার। ৭ তারিখ ভোরে রাজকোট সহ মহারাষ্ট্রের উপকূলীয় অঞ্চলে এর প্রভাব টের পাওয়া যাবে। হালকা থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া গাছপালা ও ফসলের ক্ষতি হবে।

বাংলাদেশের সিরিজ জয় আর ভারতের সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচের আগে সাইক্লোন মহা এক মহা প্রশ্ন। পুরো ৪০ ওভার কি মাঠে গড়াবে খেলা? ম্যাচ ডে'তেও যে দিনভর বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে।

ড. মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র বলেন, রাজকোটে ৭ তারিখ বিকেল পর্যন্ত বৃষ্টি থাকবে। আকাশ মেঘলা থাকবে। ভারী বৃষ্টিপাত না হলেও ঝিরিঝিরি বৃষ্টি হতে পারে সারাদিনই।


প্রকৃতির রহস্য ভেদ করা কঠিন। ঝড়ের পূর্বাভাস থাকলেও মঙ্গলবার রাজকোটের আকাশ ছিলো ঝকঝকে। সবারই চাওয়া, এমনই থাকুক রাজকোটের চেহারা।

আজ সকালে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ রয়েছে। আগামী ৫ দিনের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার দিকে যাবে। ৯ তারিখ সকাল থেকে সেসব স্থানে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। যা ১১ তারিখ পর্যন্ত থাকতে পারে।